আমরা শুধু একটা ওয়েবসাইট নই। vdt222 হলো লাখো বাংলাদেশির বিনোদন, উত্তেজনা আর বিশ্বাসের এক ঠিকানা – যেখানে প্রতিটি খেলোয়াড় পরিবারের একজন সদস্যের মতো।
বাংলাদেশের মানুষকে মাথায় রেখে তৈরি – প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি সিদ্ধান্তে
vdt222 কুরাকাও ই-গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সপ্রাপ্ত। SSL এনক্রিপশন, আলাদা ফান্ড অ্যাকাউন্ট এবং তৃতীয় পক্ষের অডিটের মাধ্যমে প্রতিটি লেনদেন সুরক্ষিত রাখা হয়।
বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ডিপোজিট ও উইথড্র। জেতার পর গড়ে ৮ মিনিটে টাকা আসে – রাত হোক বা দিন, ছুটির দিন হোক বা ঈদ।
ইংরেজিতে প্রশ্ন করে অপেক্ষা করার দিন শেষ। vdt222-এ সম্পূর্ণ বাংলায় লাইভ চ্যাট, ইমেইল ও ফোন সাপোর্ট পাওয়া যায় – সপ্তাহের সাত দিন, চব্বিশ ঘণ্টা।
৩০+ স্পোর্টসে লাইভ বেটিং, ৫০০+ স্লট গেম, লাইভ ক্যাসিনো এবং মেগা লটারি। বাংলাদেশের প্রিয় ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি মার্কেট – ৫০০+ অপশন একটি ম্যাচে।
সিলভার থেকে ডায়মন্ড – প্রতিটি স্তরে বিশেষ ক্যাশব্যাক, ফ্রি স্পিন ও ডেডিকেটেড সাপোর্ট। ডায়মন্ড সদস্যরা মাসে ৳৫০,০০০ পর্যন্ত শর্তমুক্ত ক্যাশব্যাক পান।
আলাদা অ্যাপ ডাউনলোডের ঝামেলা নেই। যেকোনো মোবাইল ব্রাউজার থেকে সব ফিচার সমানভাবে কাজ করে। ধীর নেটেও দ্রুত লোড হয়।
কয়েক বছর আগের কথা। বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং মানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিদেশি প্ল্যাটফর্ম – ইংরেজি ইন্টারফেস, বিদেশি পেমেন্ট পদ্ধতি, আর সমস্যায় পড়লে কোনো বাংলা সাপোর্ট নেই। বাংলাদেশের মানুষ ক্রিকেট বোঝেন, ফুটবল ভালোবাসেন, উত্তেজনা উপভোগ করেন – কিন্তু তাদের জন্য সত্যিকারের উপযুক্ত একটা জায়গা ছিল না। vdt222 তৈরির পেছনে মূল ধারণাটা ছিল ঠিক এখানে।
আমাদের প্রতিষ্ঠাতা দলটা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক গেমিং ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞ পেশাদারদের নিয়ে গঠিত। তারা একটাই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছিলেন: বাংলাদেশের মানুষের জন্য সত্যিকারের ভালো একটা গেমিং প্ল্যাটফর্ম হলে সেটা কেমন হবে? সেই প্রশ্নের উত্তরই হলো vdt222।
শুরুতে মূল ফোকাস ছিল তিনটা বিষয়ে। প্রথমত, পেমেন্ট। বাংলাদেশে বিকাশ ও নগদ ছাড়া কিছু হয় না – তাই সেটাকে প্রথম থেকেই কেন্দ্রে রাখা হয়েছিল। দ্বিতীয়ত, ভাষা। বাংলায় সম্পূর্ণ সাপোর্ট দেওয়ার বিষয়টা vdt222-এর জন্য আপোষহীন ছিল। তৃতীয়ত, ক্রিকেট। বাংলাদেশের মানুষের জন্য ক্রিকেট শুধু একটা খেলা নয় – এটা একটা আবেগ। সেই আবেগকে সম্মান দিতে ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি মার্কেট ও সেরা অডস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
প্রথম বছরে সদস্য সংখ্যা কয়েক হাজার ছিল। মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছিল vdt222-এর নাম – বিশেষ করে দ্রুত পেমেন্ট এবং বাংলা সাপোর্টের কারণে। যারা একবার এখানে এসেছেন, তাদের বেশিরভাগই থেকে গেছেন। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
সময়ের সাথে সাথে vdt222-এর পরিধি বেড়েছে। স্পোর্টস বেটিং থেকে স্লট গেম, লাইভ ক্যাসিনো থেকে মেগা লটারি – সব কিছু যোগ হয়েছে। কিন্তু মূল দর্শন বদলায়নি। সেটা হলো: বাংলাদেশের মানুষকে একটা নিরাপদ, স্বচ্ছ ও আনন্দদায়ক গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া।
আজ vdt222-এ পাঁচ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী – বাংলাদেশের প্রতিটি কোণ থেকে মানুষ আমাদের সাথে আছেন। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে দেখতে vdt222-এ বেট দেন, স্লট খেলেন, লটারির টিকিট কাটেন। এই বিশ্বাসটা আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ।
আমরা জানি বিশ্বাস একবারে তৈরি হয় না। vdt222 প্রতিটি পেমেন্ট সময়মতো দিয়ে, প্রতিটি অভিযোগ দ্রুত সমাধান করে, প্রতিটি ওয়াদা পূরণ করে এই বিশ্বাস অর্জন করেছে। আর এটা ধরে রাখাই আমাদের প্রতিদিনের লক্ষ্য।
ভবিষ্যতে vdt222 আরও বড় হবে – আরও বেশি গেম, আরও বেশি সুবিধা, আরও উন্নত প্রযুক্তি। কিন্তু একটা জিনিস কখনো বদলাবে না: আমরা সবসময় বাংলাদেশের মানুষের জন্য কাজ করব, তাদের ভাষায় কথা বলব এবং তাদের পাশে থাকব।
ছোট একটা দল থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সবচেয়ে বিশ্বস্ত গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হওয়ার গল্প।
বাংলাদেশের বাজারে বিকাশ ও নগদ পেমেন্টসহ প্রথম স্পোর্টস বেটিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ। প্রথম মাসেই দুই হাজার সদস্য। ক্রিকেট বেটিং ছিল প্রধান আকর্ষণ।
স্পোর্টস বেটিংয়ের পাশাপাশি ৫০০+ স্লট গেম ও লাইভ ক্যাসিনো সেকশন চালু হলো। সদস্য সংখ্যা পঞ্চাশ হাজার ছাড়িয়ে গেল। বাংলা সাপোর্ট টিম গঠিত হলো।
চার স্তরের ভিআইপি প্রোগ্রাম এবং রিওয়ার্ড পয়েন্ট সিস্টেম চালু হলো। নিয়মিত খেলোয়াড়দের আনুগত্যকে পুরস্কৃত করার জন্য এই পদক্ষেপ। মেগা লটারিও এ বছর শুরু হয়।
দুই লক্ষ নিবন্ধিত সদস্য অতিক্রম করল vdt222। ই-স্পোর্টস বেটিং সেকশন চালু হলো। মোবাইল ইন্টারফেস সম্পূর্ণ নতুনভাবে তৈরি করা হলো।
পাঁচ লক্ষ সদস্যের মাইলফলক ছুঁয়েছে vdt222। আরও উন্নত প্রযুক্তি, আরও বেশি গেম এবং বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় পৌঁছানোর লক্ষ্যে কাজ চলছে।
প্রতিটি সিদ্ধান্তে, প্রতিটি আপডেটে এই মূল্যবোধগুলো আমাদের পথ দেখায়।
প্রতিটি ওয়াদা পূরণ করা আমাদের প্রথম দায়িত্ব। একটাও পেমেন্ট বাকি নয়, একটাও প্রতিশ্রুতি ভাঙা নয়।
অডস কীভাবে হিসাব হয়, ক্যাশব্যাকের শর্ত কী – সব কিছু পরিষ্কারভাবে জানানো হয়।
আপনার তথ্য ও টাকা আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। সর্বোচ্চ প্রযুক্তিতে সুরক্ষিত।
বিনোদনকে সমস্যায় পরিণত না হতে দেওয়াই আমাদের দায়িত্ব। দায়িত্বশীল গেমিং আমাদের কাছে অগ্রাধিকার।
প্রতিনিয়ত নতুন ফিচার, নতুন গেম ও নতুন সুবিধা যোগ হচ্ছে – আমরা কখনো থামি না।
বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলাদেশের ভাষায়, বাংলাদেশের পেমেন্টে – এটাই আমাদের পরিচয়।
অভিজ্ঞ পেশাদারদের একটা দল – যারা প্রতিদিন আপনার সেরা অভিজ্ঞতার জন্য কাজ করেন
আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত। তৃতীয় পক্ষের অডিটর নিয়মিত গেমের ন্যায্যতা যাচাই করেন।
প্রতি ৳১০০ বেটের বিপরীতে গড়ে ৳৯৭ ফেরত দেওয়া হয়। একই ম্যাচে অন্য প্ল্যাটফর্মের চেয়ে বেশি পাবেন।
খেলোয়াড়দের ফান্ড কোম্পানির অপারেশনাল তহবিল থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা হয়। আপনার টাকা সবসময় নিরাপদ।
২০১৯ সাল থেকে একটানা পরিষেবা দিয়ে আসছে vdt222। একটাও পেমেন্ট বাকি পড়েনি, একটাও অ্যাকাউন্ট অন্যায়ভাবে বন্ধ হয়নি।
Pragmatic Play, Evolution Gaming, NetEnt, Microgaming – বিশ্বের সেরা প্রোভাইডারদের গেম একই প্ল্যাটফর্মে।
vdt222 বিশ্বাস করে বিনোদন যখন সমস্যায় পরিণত হয়, তখন সেটা আর বিনোদন থাকে না। আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন এবং কুলিং অফ পিরিয়ডের সুবিধা আছে। যেকোনো সদস্য যেকোনো সময় এই সুবিধাগুলো ব্যবহার করতে পারেন। আমাদের সাপোর্ট টিম দায়িত্বশীল গেমিংয়ে সহায়তা দিতে সবসময় প্রস্তুত।
আমাদের সম্পর্কে যে প্রশ্নগুলো প্রায়ই আসে
পাঁচ লক্ষ মানুষ যে প্ল্যাটফর্মে বিশ্বাস করেন, আপনিও সেই পরিবারের অংশ হন। আজই শুরু করুন – মাত্র ৳১০০ থেকে।
১৮+ | দায়িত্বশীলভাবে খেলুন | দায়িত্বশীল গেমিং নীতি